প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসিরুদ্দিনের সভাপতিত্বে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক এ সভা হয়। এতে নির্বাচন কমিশনাররা ছাড়াও ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি), আনসার ও ভিডিপি মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনী ও সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেয়।
ইসি আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো সবাইকে উদ্বিগ্ন করেছে। ইনকিলাব মঞ্চের শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলা ও পরিস্থিতি নির্বাচনের পরিবেশে প্রভাব ফেলছে। চোরাগোপ্তা হামলাটি বড় পরিকল্পনার অংশ কিনা, সেটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
যারা এই নির্বাচনকে বানচাল করতে চাইবে তাদের কঠোর হাতে দমন করা হবে উল্লেখ করে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘নির্বাচন হবেই। নির্বাচন নিয়ে কোনো আশঙ্কা নেই। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অ্যাকটিভলি কাজ করছে।’
নির্বাচনী পরিবেশ বানচালে এ ধরনের হামলা উল্লেখ করে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘এসব ঘটনায় রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজেদের মধ্যে দোষারোপ ছাড়তে হবে। তাদের বিরোধে নাশকতাকারীরা সুযোগ পাবে।’
বিজয় দিবস ঘিরে সংসদ সদস্য প্রার্থীদের আয়োজন প্রসঙ্গে ইসি আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘১৬ ডিসেম্বর বিশেষ উৎসব আয়োজনে বাধা নেই তফসিল পরবর্তী সময়ে। যদি না আচরণবিধি ভঙ্গ না করা হয়।’