সোমবার (১৭ নভেম্বর) লালদিয়া টার্মিনাল ও পানগাঁও টার্মিনাল নিয়ে নতুন চুক্তি হচ্ছে। আগামী মাসে হতে পারে এনসিটি টার্মিনালের চুক্তি। চূড়ান্ত হয়ে আছে বে-টার্মিনালেরও ভবিষ্যৎও। পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ হলে বছরে ৩৩ লাখ কনটেইনার হ্যান্ডেল করা চট্টগ্রাম বন্দরের ৬০ শতাংশ কনটেইনারই ভবিষ্যতে হ্যান্ডেল করবে বিদেশি প্রতিষ্ঠান। চুক্তির শর্তাবলি ‘গোপন’ রেখেই এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দর ও টার্মিনাল অপারেটর সূত্রে এসব তথ্য জানা
আজ সোমবার লালদিয়া টার্মিনাল ও পানগাঁও টার্মিনাল নিয়ে নতুন চুক্তি হচ্ছে। আগামী মাসে হতে পারে এনসিটি টার্মিনালের চুক্তি। চূড়ান্ত হয়ে আছে বে-টার্মিনালেরও ভবিষ্যৎও। পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ হলে বছরে ৩৩ লাখ কনটেইনার হ্যান্ডেল করা চট্টগ্রাম বন্দরের ৬০ শতাংশ কনটেইনারই ভবিষ্যতে হ্যান্ডেল করবে বিদেশি প্রতিষ্ঠান। চুক্তির শর্তাবলি ‘গোপন’ রেখেই এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দর ও টার্মিনাল অপারেটর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ওমর ফারুক বলেন, ‘চুক্তির পুরো বিষয়টি তদারকি করছে মন্ত্রণালয়। সময়মতো মন্ত্রণালয় তা দেশবাসীকে অবহিত করবে।’
পতেঙ্গা টার্মিনাল গত বছরের জুনে সৌদি আরবের রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল ইন্টারন্যাশনাল বা আরএসজিটিআইকে অপারেটর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। বাকি দুটি অর্থাৎ, জিসিবি ও সিসিটিই কেবল দেশীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করবে। তবে সিসিটিও পরে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে যেতে পারে।
চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ে তিন গুণ বেশি সক্ষমতার আরও দুটি টার্মিনাল তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। বে-টার্মিনাল ও লালদিয়া টার্মিনাল নামের দুটি নতুন টার্মিনালেরও তিনটি অংশ পরিচালনা করবে বিদেশি অপারেটর। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পানগাঁও টার্মিনালও।
ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আজ সোমবার লালদিয়া টার্মিনালের চুক্তি হবে বলে গতকাল এক আমন্ত্রণপত্রে জানিয়েছেন পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক চৌধুরী। এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন, তিনটি নতুন টার্মিনাল তৈরি ও পরিচালনা বাবদ তিনটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের ৩০০ কোটি ডলারের প্রস্তাবে সাড়া দিয়েছে সরকার।


