অনলাইনে জুয়া খেলা, জালিয়াতি ও প্রতারণার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে সরকার। তথ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যে জানানো হয়েছে, এসব অপরাধে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড প্রযোজ্য হবে।
নতুন সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫–এর ২০ ধারা অনুযায়ী, অনলাইনে জুয়া খেলার জন্য কোনো ওয়েবসাইট, অ্যাপ বা ডিভাইস তৈরি, পরিচালনা বা ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। একই সঙ্গে খেলায় সহায়তা, উৎসাহ প্রদান বা বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণকেও আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত) ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে অনলাইন জুয়ায় জড়িত প্রায় এক হাজারেরও বেশি মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে জানান, সরকার সাইবার স্পেসে জনস্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে এ ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে।
অধ্যাদেশের ২১ ও ২২ ধারা অনুযায়ী, জুয়া সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেন, প্রতারণা বা জালিয়াতিও কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এছাড়া বিজ্ঞাপন বা প্রচারণার মাধ্যমে কাউকে জুয়ায় উৎসাহিত করার অপরাধে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। ফলে দেশের কোনো নাগরিক বা মিডিয়া ব্যক্তিত্ব যদি জুয়া খেলার বিজ্ঞাপনে অংশ নেন, তবে তিনি দণ্ডনীয় অপরাধে অভিযুক্ত হবেন।
সরকারি কর্মকর্তারা নাগরিকদের আহ্বান জানিয়েছেন—কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপে অনুমতি ছাড়া ছবি বা ভিডিও ব্যবহার হলে আইনগত সহায়তা নিতে।


