আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বাংলাদেশে শ্রম আইন সংস্কার আইএলও, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ আন্তর্জাতিক মহলের প্রত্যাশা বলে জানিয়েছেন ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিরা। তারা এ বিষয়ে স্পষ্টতা ও সহযোগিতা নিশ্চিত করতে বিজিএমইএর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের ওপর গুরুত্ব দেন।
বুধবার (১৩ আগস্ট) বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সংগঠনটির সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিরা। এ সময় তারা এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ’র কমপ্লেক্সে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিদলে ছিলেন- লেবার অ্যাটাশে লীনা খান, ফরেন কমার্শিয়াল সার্ভিস অ্যাটাশে পল জি. ফ্রস্ট, ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিস অ্যাটাশে এরিন কোভার্ট এবং ইকোনমিক অফিসার রিচার্ড রাসমুসেন।
বিজিএমইএ’র পক্ষ থেকে আলোচনায় অংশ নেন সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান, সহ-সভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম, সহ-সভাপতি (অর্থ)মিজানুর রহমান, সহ-সভাপতি ভিদিয়া অমৃত খান, পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুর রহিম, পরিচালক ফয়সাল সামাদ, শেখ হোসেন মোহাম্মদ মোস্তাফিজ।
এ সময় বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, পোশাকখাতে স্থিতিশীল শ্রম পরিস্থিতি বিজিএমইএ’র অন্যতম অগ্রাধিকার এবং তার বোর্ড দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই সুষ্ঠু শিল্প সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য ৮১টি শ্রমিক ফেডারেশনের সঙ্গে সংলাপ করেছে।
তিনি শ্রম অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশের আইনি সংস্কারের অগ্রগতি সম্পর্কেও মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিদলটিকে অবহিত করেন।
মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা জানান, আন্তর্জাতিক প্রত্যাশা যে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সংগতি রেখে বাংলাদেশে শ্রম আইন সংস্কার করা হবে এবং এটি আইএলও ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সবার চাওয়া।


