রাজধানীতে ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্রের নতুন অধ্যায় সূচিত হয়েছে। তিনি জানান, সাম্প্রতিক নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ আবারও তাদের ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে, যা একটি ঐতিহাসিক অর্জন।
শনিবার বিকেলে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, আলেম-ওলামা, পেশাজীবী প্রতিনিধি এবং সুশীল সমাজের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষ বহু বছর ধরে অবিচার, দমন-পীড়ন ও সীমাবদ্ধতার বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। তাদের আত্মত্যাগের ফলেই আজ গণতান্ত্রিক পরিবেশ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করা এখন সরকারের প্রধান দায়িত্ব। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, সরকার উন্নয়ন, সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। অর্থনৈতিক অগ্রগতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তিনি রাজনৈতিক দলগুলোকে সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে সকলের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। তারা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।ইফতারের আগে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। প্রধানমন্ত্রী আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এ ধরনের আয়োজনে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সংলাপের পরিবেশ সৃষ্টি হয়, যা জাতীয় ঐক্যকে শক্তিশালী করে।
অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। উপস্থিত অতিথিরা আশা প্রকাশ করেন, নতুন রাজনৈতিক পরিবেশে সমঝোতা ও সহযোগিতার মাধ্যমে দেশ এগিয়ে যাবে উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার পথে।


