পিরোজপুরের তিনটি সংসদীয় আসনে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ ও সন্তোষজনক পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা। তারা বলেন, অধিকাংশ কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল স্বাভাবিক এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল। তবে কিছু স্থানে বিচ্ছিন্ন উত্তেজনার খবর পাওয়ার কথাও স্বীকার করেছেন তারা।
পিরোজপুর-১ (সদর-নাজিরপুর-ইন্দুরকানী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাসুদ সাঈদী ইন্দুরকানীর একটি কেন্দ্রে ভোট দেন। ভোটগ্রহণ শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকটি ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকদের সঙ্গে সামান্য উত্তেজনা তৈরি হলেও দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তার দাবি, প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে ভোটাররা নিরাপদে ভোট দিতে পেরেছেন। এই আসনে ১৬৭টি কেন্দ্রে মোট ভোটার প্রায় ৩ লাখ ৮৮ হাজার।
পিরোজপুর-2 (ভান্ডারিয়া-কাউখালী-নেছারাবাদ) আসনে জোটের প্রার্থী শামীম সাঈদী ভান্ডারিয়ার একটি কেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন। তিনি বলেন, কিছু কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। সার্বিকভাবে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ আসনে ১৬৬টি কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা প্রায় ৪ লাখ ৫ হাজার।
অন্যদিকে পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমর্থিত জামায়াত জোটের প্রার্থী ড. শামীম হামিদী বলেন, দিনভর ভোটগ্রহণ মোটামুটি শান্তিপূর্ণ ছিল। তিনি জানান, কয়েকটি স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা হলেও তা বড় আকার ধারণ করেনি। দলীয় নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। এ আসনে ৮৫টি কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা প্রায় ২ লাখ ৩৮ হাজার।
জোটের প্রার্থীরা আশা প্রকাশ করেন, ভোটের ফলাফল জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রতিফলিত হবে এবং নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিও শান্ত থাকবে।


