পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকেই শুধু এসএসএফের নিরাপত্তা সুবিধা দেওয়া হয়েছে; পরিবারের অন্য সদস্যের জন্য নয়।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ (৫ সদস্য বিশিষ্ট) পাস হয়েছে। পুলিশকে জনবান্ধব করতে এ কমিশন সরকারকে সুপারিশ করবে। পেশাগত ক্ষেত্রে পুলিশের অভিযোগগুলোও দেখবে তারা।
এ সময় তিনি বলেন, ভিভিআইপি প্রটোকল শুধুমাত্র বেগম জিয়ার জন্য, পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য নয়।
পরে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বিস্তারিত ব্রিফিং করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।
গত ২৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বিএনপি চেয়ারপাসনকে। এরপর থেকে তিনি সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে রয়েছেন বলে জানিয়ে আসছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. জাহিদ হোসেনসহ শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা। এরইমধ্যে তাকে বিদেশে (লন্ডন) নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এদিকে, বেগম জিয়াকে রাষ্ট্রের ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণার পর থেকেই এভারকেয়ার হাসপাতাল এলাকার নিরাপত্তায় নিয়োজিত আছেন এসএসএফ ও পিজিআর সদস্যরা।
এর আগে ২ ডিসেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণার পর স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) নিরাপত্তা দেয়া শুরু করে। ওইদিন দুপুরে অন্তর্বর্তী সরকার জানায়, বেগম খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিভিআইপি) ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকরের জন্য সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ওইদিন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। পরে যমুনার সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের কথা জানান পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।


