পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক অর্থনীতি ও অনিশ্চয়তার ভেতর করপোরেট নেতৃত্ব কীভাবে টিকে থাকবে এবং এগিয়ে যাবে—এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে রাজধানীর ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের ৯ম লিডারশিপ সামিট। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি–এর পরিবেশনায়, এআইইউবি ও ইউনাইটেড গ্রুপের সঞ্চালনায় আয়োজিত এ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল “রেজিলিয়েন্ট লিডারশিপ – থ্রাইভিং অ্যামিড আনসার্টেনটি।”
সামিটের উদ্বোধনী বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরিফুল ইসলাম বলেন, দেশের অগ্রগতি এখন নির্ভর করছে এমন নেতৃত্বের ওপর, যারা শুধু নির্দেশনা দেয় না—বরং নতুন মূল্য তৈরি করে, সংকটকে সম্ভাবনায় রূপ দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের স্থপতি হিসেবে কাজ করে।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক অধ্যাপক এ কে এনামুল হক। তিনি বলেন, বাংলাদেশের যেকোনো খাতে এখন প্রয়োজন আরো তথ্যনির্ভর, ঝুঁকি-সচেতন ও স্বচ্ছ নেতৃত্ব। তার মতে, প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে হলে অর্থনৈতিক দূরদৃষ্টি, বিশ্বাসযোগ্য প্রতিষ্ঠান এবং পরিবেশভিত্তিক পরিকল্পনা একসাথে এগোতে হবে।
সামিটজুড়ে অনুষ্ঠিত হয় তিনটি কিনোট সেশন, তিনটি প্যানেল আলোচনা এবং একাধিক ইনসাইট শেয়ারিং। অধ্যাপক এনামুল হক টেকসই অর্থনৈতিক ভিত্তি, ইউসুকে তাচিকাওয়া সৃজনশীল নেতৃত্বের ভূমিকা এবং প্রফেসর অ্যান্ড্রু কার্ল ডেলিয়স উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নেতৃত্ব দক্ষতা নিয়ে মত দেন।
প্যানেল আলোচনায় করপোরেট গভর্নেন্স, ডেটা-ড্রাইভেন সিদ্ধান্ত, আর্থিক শৃঙ্খলা, কর্মী রেজিলিয়েন্স ও দীর্ঘমেয়াদি সংগঠন ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বাস্তব অভিজ্ঞতা উপস্থাপন করেন। সামিটে ইউনিলিভার বাংলাদেশ, বাংলালিংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড, এডিবি, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও ইউল্যাবসহ শীর্ষ করপোরেট ও একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের এই ফ্ল্যাগশিপ অনুষ্ঠানকে সহায়তা করে টুয়েলভ ক্লোদিং, টার্কিশ এয়ারলাইনস, মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ, কাজী কনসালট্যান্টস এবং ব্যাকপেজ পিআর।


