ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানাতে গাজামুখী ‘সুমুদ ফ্লোটিলা’ নৌবহরে অংশ নেওয়া আলোকচিত্রী ও দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহীদুল আলমকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একইসঙ্গে তিনি ঘোষণা দেন, শহীদুল আলমের মতো মানবিক উদ্যোগ ও ফিলিস্তিনের জনগণের ন্যায্য অধিকারের সংগ্রামে বিএনপি সবসময় পাশে থাকবে।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টা ৫২ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তারেক রহমান শহীদুল আলমের পদক্ষেপকে “সংহতির প্রতীক ও বিবেকের গর্জন” হিসেবে আখ্যা দেন। তিনি লিখেছেন, নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও মানবিক সংহতির বার্তা বহন করে শহীদুল আলম যখন বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে সুমুদ ফ্লোটিলায় যুক্ত হয়েছেন, তখন তা শুধু একটি সাহসী পদক্ষেপ নয়, বরং বাংলাদেশের মানবিক অবস্থানকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার প্রতীকী বার্তা।
তারেক রহমান বলেন, “শহীদুল আলমের উদ্যোগ বিশ্বকে স্মরণ করিয়েছে যে, বাংলাদেশের জনগণ কখনো অবিচার বা নিপীড়নের কাছে মাথা নত করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না। আমরা গর্বিত যে, তিনি ফিলিস্তিনের জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের পতাকা বিশ্বমঞ্চে উড্ডীন করেছেন।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিএনপি বরাবরই ন্যায্য অধিকার, স্বাধীনতা এবং মানবিক মর্যাদার প্রশ্নে ফিলিস্তিনের পাশে থেকেছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। শহীদুল আলমের মতো উদ্যোগগুলো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশের অবস্থানকে স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তারেক রহমানের এই ঘোষণা বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থানকে নতুন মাত্রা দিয়েছে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। শহীদুল আলমের প্রতি এই সমর্থন কেবল ব্যক্তিগত নয়, বরং ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার আন্দোলনে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সংহতিকে নতুনভাবে জোরদার করার প্রতিফলন বলেও তারা মনে করেন।
শহীদুল আলম বর্তমানে ‘সুমুদ ফ্লোটিলা’র অংশ হিসেবে গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে আন্তর্জাতিক নৌবহরে যুক্ত আছেন। তার এই সাহসী পদক্ষেপ ইতোমধ্যে ঢাকার ফিলিস্তিনি দূতাবাসসহ আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হয়েছে।


