Wednesday, June 3, 2026
Home অর্থ-বানিজ্য ৪০০ টাকা কেজিতে কমল জিরার দাম

৪০০ টাকা কেজিতে কমল জিরার দাম

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে নতুন জিরার আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি দাম কমেছে ৪০০ টাকা। দুই মাস আগে ১১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে জিরা। সেই জিরা বর্তমানে ৭২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

হিলি বাজারের মসলা ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারতে নতুন জিরা ওঠায় বন্দর দিয়ে আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে দাম কমে যাচ্ছে। পণ্যটির দাম কমায় খুশি নিম্ন আয়ের মানুষেরা।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে হিলি মসলা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত বছরে প্রতি কেজি জিরা বিক্রি হয়েছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে।

ডলার সংকট ও ভারতে জিরার ফলন কম এবং আমদানি কমে যাওয়ার অজুহাতে দাম বাড়তে থাকে। সর্বশেষ দুই মাস আগে ১১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। চলতি বছরে ভারতে নতুন জিরার ফলন ভালো হয়েছে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন বন্দর দিয়ে আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় গত দুই মাস পর্যায়ক্রমে জিরার দাম কমেছে কেজিপ্রতি ৪০০ টাকা।
এর মধ্যে ভারত থেকে আমদানীকৃত ভালো মানের কাকা জিরা ৭২০, বাবা জিরা ৭২০, মধু জিরা ৭২০, অমরিত জিরা ৭২০ টাকা, সোনা জিরা ৭৩০ টাকা ও ডিবিগোল্ড জিরা ৭৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

হিলি বাজারে জিরা কিনতে আসা ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘দুই মাস আগেও জিরার আকাশছোঁয়া দাম ছিল। এর আগেও ১০০ গ্রাম জিরা ৪০ টাকায় কিনেছি। সেই জিরা কিনতে হয়েছে ১০০ টাকায়। আজকে মসলা কিনতে এসে শুনলাম কেজিপ্রতি ৪০০ টাকা কমেছে।

তাই এক কেজি জিরা নিলাম ৭২০ টাকায়। বর্তমানে দাম অনেক কমে এসেছে।’
বগুড়া থেকে আসা জিরা ক্রেতা আনিছুর রহমান বলেন, ‘আমি স্বপ্নপূরীতে ঘুরতে এসেছিলাম। সেখানে ঘুরে হিলি স্থলবন্দর ঘুরেও দেখলাম। হিলিতে কম দামে মসলা পাওয়া যায়। তাই মসলা কিনতে আসলাম। আমি বগুড়াতে প্রায় তিন মাস আগে ১২০০ টাকা কেজি দরে জিরা কিনেছি। হিলিতে এসে এক কেজি জিরা নিলাম ৭২০ টাকা দিয়ে। দাম কমায় আমাদের মতো মানুষের অনেক ভালো হলো।’

হিলি বাজারে বিসমিল্লাহ মসলা ঘরের ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেন বলেন, ‘গত বছরে ভারতে জিরার ফলন কম হওয়ায় বন্দর দিয়ে আমদানিও কমে যায়। সে কারণে জিরার দাম বাড়তে বাড়তে ১১৫০ টাকা কেজি দরে ওঠে। বর্তমান ভারতে নতুন জিরা ওঠায় আমদানি বেড়েছে। তাই দামও কেজিপ্রতি কমেছে ৪০০ টাকা। আমরা ৭১০ টাকা কেজি দরে কিনে ৭২০ টাকায় বিক্রি করছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘আশা করছি আগামীতে দাম আরো কমে আসবে। আগে তো দাম বেশির কারণে বেচাকেনা কম হচ্ছিল। আগে ক্রেতারা ১০০ গ্রাম জিরা কিনত এখন এক কেজি করে ক্রয় করেছে। আগের চেয়ে বেচাকেনা অনেক ভালো হচ্ছে। সাদা এলাচ ও কালো ফলের দাম একটু বেশি। তবে অন্যান্য মসলার দাম স্বাভাবিক আছে।’

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

যমুনা ব্যাংক পিএলসির ২৫ বছর পূর্তি

প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যমুনা ব্যাংক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নূর মোহাম্মদ, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মির্জা ইলিয়াস উদ্দীন আহম্মদসহ ব্যাংকের উর্ধ্বতন...

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন

আজ দেশব্যপী উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেশব্যপী ব্যাংকের সকল শাখা, উপশাখা ও প্রধান কার্যালয়ের সকল বিভাগে...

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

  বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার। বুধবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে। পোস্টে বলা হয়েছে,...

নাভানা ফার্মার তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির  কোম্পানি নাভানা ফার্মাসিটিক্যালস  পিএলসি গত ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি ২০২৬-মার্চ ২০২৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ডিএসই সূত্রে জানা...

Recent Comments