ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ট্রেকহোল্ডারদের জন্য নির্ধারিত ব্যাক-অফিস সফটওয়্যার স্থাপন ও ব্যবহারে নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ট্রেকহোল্ডাররা ২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এই সফটওয়্যার স্থাপন ও ব্যবহার শুরুর জন্য সময় পাবেন।
বিএসইসি জানিয়ে দিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার পর অর্থাৎ ১ মে ২০২৪ থেকে কোনো ট্রেকহোল্ডার এই সফটওয়্যার ছাড়া লেনদেন পরিচালনা করতে পারবে না। এমনকি সময়মতো শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লেনদেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে এবং তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।
ডিএসইর পক্ষ থেকে একটি চিঠির মাধ্যমে সব ট্রেকহোল্ডারকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। সূত্র জানায়, আগে ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্ধারিত সফটওয়্যার স্থাপন ও ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবতা বিবেচনায় ডিএসই পিএলসি ও ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন সময়সীমা বাড়ানোর জন্য বিএসইসির কাছে আবেদন করে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি তাদের অনুরোধ বিবেচনা করে নতুন সময়সীমা ঘোষণা করেছে। তবে বিএসইসি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, এটি চূড়ান্ত সময়সীমা।
ডিএসইর চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ৩০ এপ্রিলের মধ্যে শুধু সফটওয়্যার স্থাপন করলেই হবে না, ব্যবহার শুরুও করতে হবে। এই শর্ত পূরণ না করলে ট্রেকহোল্ডাররা লেনদেন চালিয়ে যেতে পারবে না। বর্তমানে ডিএসইতে অসংশোধনযোগ্য ব্যাক-অফিস সফটওয়্যারের আটটি ভেন্ডর প্যানেলভুক্ত রয়েছে। এই সফটওয়্যার ট্রেকহোল্ডারদের স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং লেনদেন প্রক্রিয়াকে ডিজিটালাইজড করতে সহায়তা করবে।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) পিএলসি’র ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। ফলে দেশের সব স্টক-ব্রোকার এবং ডিলারদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি নিতে হবে। নতুন এই সময়সীমা ট্রেকহোল্ডারদের একটি শেষ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যাতে তারা তাদের কার্যক্রমে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারে।


