নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি নতুন হারবাল ডিভিশন প্রতিষ্ঠা করার ঘোষণা দিয়েছে, যা কোম্পানির নিজস্ব উৎপাদন কেন্দ্রে পরিচালিত হবে। ১৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, এবং এর মাধ্যমে কোম্পানি ভেষজ পণ্য উৎপাদনের দিকেও নতুন পথ খুলে দিল। কোম্পানিটি জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ১০ হাজার বর্গ ফুটের একটি হারবাল উৎপাদন কেন্দ্র তৈরি করা হবে, যা দেশের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বাজারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। হারবাল ডিভিশনের নির্মাণ ব্যয় হবে ২০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা, যা কোম্পানির অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে।
উল্লেখযোগ্য যে, নাভানা ফার্মা এই প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের অনুমোদন নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছ থেকে সংগ্রহ করার পরেই কাজ শুরু করবে। হারবাল উৎপাদন বিভাগের কার্যক্রমে কোনো ধরনের বিলম্ব না ঘটলে, প্রথম বছরের মধ্যে প্রায় ৪০ কোটি টাকা আয় করার পূর্বাভাস দিয়েছে কোম্পানি। এই বিভাগের প্রকল্পটির বাস্তবায়ন সম্পন্ন হতে প্রায় পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে বলে জানা গেছে।
এই নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে নাভানা ফার্মা তার ব্যবসার পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে। হারবাল পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে, এবং এই বিভাগটি কোম্পানির জন্য নতুন রেভিনিউ স্রোত তৈরি করবে। বিশেষ করে, ভেষজ বা হারবাল পণ্যগুলোর প্রতি মানুষের আগ্রহ এবং সচেতনতা বেড়ে যাওয়ায় কোম্পানির ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা উজ্জ্বল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
নাভানা ফার্মার এই নতুন হারবাল ডিভিশন শুধু কোম্পানির ব্যবসায়িক স্থিতিশীলতা বাড়াবে না, বরং বাংলাদেশের ভেষজ চিকিৎসা শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এর পাশাপাশি, দেশের স্থানীয় এবং বৈশ্বিক বাজারে হারবাল পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে, যা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।


