নতুন বছরের শুরুতে ভোজ্যতেলের বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। খোলা সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ২৮ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে বোতলজাত তেলের সরবরাহ কম থাকায় ক্রেতারা বেশি দামে খোলা তেল কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।
সরকার আমদানি শুল্ক ও ভ্যাট কমিয়ে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে উদ্যোগ নিলেও বাজার পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। ব্যবসায়ীরা চাহিদার তুলনায় কম তেল সরবরাহ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে, বোতলজাত তেলের সরবরাহ সীমিত। খুচরা দোকানগুলোতে এক ও দুই লিটারের বোতলজাত তেলের ঘাটতি রয়েছে।
খোলা সয়াবিন তেলের নির্ধারিত মূল্য লিটারপ্রতি ১৫৭ টাকা হলেও বাজারে তা ১৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ কম হওয়ায় নির্ধারিত দামে তেল বিক্রি সম্ভব হচ্ছে না। রাজধানীর জিনজিরা ও কাওরান বাজারের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ডিলাররা পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ করছে না। প্রতিদিন তেল সরবরাহ না পেয়ে কয়েকদিন পরপর ২-৩ কার্টন তেল দেওয়া হচ্ছে।
ক্রেতারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে তেলের বাজারে এই অস্থিরতা চলছে। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে ব্যবসায়ীরা ভোক্তাদের ভোগান্তিতে ফেলছেন। কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম কিছুটা বাড়লেও তা বাংলাদেশের বাজারে অযৌক্তিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি বলেন, সরকার ব্যবসায়ীদের নীতি সহায়তা দিলেও ভোক্তাদের অধিকার রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা নেওয়া হচ্ছে না।


