আসন্ন রমজান মাসে ভোজ্যতেলের সরবরাহে কোনো ঘাটতি না রাখতে সিটি ও মেঘনা গ্রুপকে উদ্যোগী হতে আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলীম আখতার খান শনিবার সিটি গ্রুপের কারখানা পরিদর্শনকালে এ অনুরোধ জানান। পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এবং সহকারী পরিচালকরা। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সিটি গ্রুপের সাম্প্রতিক আমদানি, উৎপাদন এবং সরবরাহ কার্যক্রম খতিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা।
তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারির ১ থেকে ১৭ তারিখ পর্যন্ত সিটি গ্রুপ ১৭ হাজার ১৮০ টন সয়াবিন তেল ও ৩ হাজার ৭৯৬ টন পাম অয়েল সরবরাহ করেছে। ডিসেম্বর মাসে তারা ১১ হাজার ৯৩৮ টন পাম অয়েল আমদানি এবং ১২ হাজার ২৭২ টন উৎপাদন করে। একই সময়ে ২০ হাজার ২৫ টন সয়াবিন তেল আমদানি ও ৩৩ হাজার ৪৫২ টন উৎপাদনের তথ্য পাওয়া যায়। অন্যদিকে, অধিদপ্তরের পরিচালক ফকির মুহাম্মদ মুনাওয়ার হোসেন ও মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম মেঘনা গ্রুপের কারখানা পরিদর্শন করেন। ডিসেম্বর মাসে মেঘনা গ্রুপ ৫০ হাজার ৫৯১ টন সয়াবিন তেল আমদানি ও ৩৭ হাজার ৬১৮ টন সরবরাহ করেছে। একই সময়ে তারা ১৪ হাজার ৩০৭ টন পরিশোধিত পাম তেল আমদানি ও ৮ হাজার ৮০৪ টন সরবরাহ করেছে। চলতি জানুয়ারিতে তারা ৪০ হাজার ৫৮৯ টন সয়াবিন তেল আমদানি ও ২৪ হাজার ৪৯৭ টন সরবরাহ করেছে।
পরিদর্শন শেষে সিটি ও মেঘনা গ্রুপকে অনুরোধ জানানো হয়, রমজানে ভোজ্যতেলসহ অন্যান্য পণ্যের সরবরাহ চেইনে যেন কোনো ঘাটতি না হয়। এ ছাড়া সারাবছর বাজার স্থিতিশীল রাখতে তাদের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার আহ্বান জানানো হয়। তবে নারায়ণগঞ্জের বাংলাদেশ এডিবল অয়েল কারখানায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতি এবং যানজটের কারণে শবনম ভেজিটেবল অয়েলের কার্যক্রম পর্যালোচনা সম্ভব হয়নি বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।


