শেয়ারবাজারে প্রকৌশল খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি রানার অটোমোবাইলস পিএলসির শেয়ারদর গত সপ্তাহের দুই কার্যদিবসে ১৮ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রানার অটোমোবাইলসের ইপিএস হয়েছে ৯০ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৫৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৬ টাকা ৭০ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ১১ শতাংশ ও উদ্যোক্তা পরিচালকদের ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রানার অটোমোবাইলসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ টাকা ৭৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৬ টাকা ৪৯ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রানার অটোমোবাইলসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭ টাকা ৭৫ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ২ টাকা ৪০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬২ টাকা ৬২ পয়সায়।
রানার অটোমোবাইলসের সর্বশেষ সার্ভিল্যান্স এনটিটি রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘এ ওয়ান’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।
২০১৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রানার অটোমোবাইলসের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১১৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪৪০ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১১ কোটি ৩৫ লাখ ৩৯ হাজার ৯৩২। এর ৫০ দশমিক ৪৮ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৪ দশমিক ৯০ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে বাকি ২৪ দশমিক ৬২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


