পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে খাদ্যদ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ, ভেজালমুক্ত ও নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিতসহ ১৫ দফা নাগরিক দাবি উত্থাপন করেছে বিভিন্ন পরিবেশবাদী ও ভোক্তা অধিকার সংগঠন।
বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), কনজ্যুমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), বিসেফ ফাউন্ডেশন ও শিসউক।
বাপার সভাপতি অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর কবিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য দেন শিসউকের নির্বাহী পরিচালক শাকিউল মিল্লাত মোর্শেদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিকশিত বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক আতাউর রহমান মিটন।
মূল প্রবন্ধে বলা হয়, নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ অনুযায়ী খাদ্য ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট ২২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে হবে। বিশেষ করে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ-এর কার্যক্রম শক্তিশালী করে উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যায় পর্যন্ত নিরাপদতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, শুধু প্রকল্পনির্ভর উদ্যোগ নয়, বরং গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে বছরব্যাপী জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। ইফতার সামগ্রী প্রস্তুত ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা বাধ্যতামূলক করতে কঠোর নজরদারিরও দাবি জানানো হয়।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ তালুকদার বলেন, রমজানে দ্রব্যমূল্যের লাগাম টেনে ধরা এবং নিরাপদ খাদ্য সুলভে পৌঁছে দেওয়া সরকারের প্রধান দায়িত্ব।
সংবাদ সম্মেলনে ক্যাবের প্রেসিডেন্ট এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, বিসেফ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম সিদ্দিকসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন।
আয়োজকরা বলেন, রমজানে মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য নিরাপদ ও সুলভ করা গেলে সেটিই হবে নতুন সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের সূচনা।


