বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার বিকেল বা সন্ধ্যার পর ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ প্রথম ধারণার তুলনায় কিছুটা কম হতে পারে।
আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ জানান, শনিবার বৃষ্টির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকবে। রোববারও কোথাও কোথাও হালকা বা গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মেঘ পুরোপুরি কেটে না গেলে সোমবার ও মঙ্গলবার (২৩ ও ২৪ ডিসেম্বর) পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে। তবে মেঘ কেটে গেলে আকাশ পরিষ্কার হবে এবং বৃষ্টি থেমে যাবে।
বৃষ্টির সময় দিনের তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শীতের অনুভূতি বাড়বে। তবে রাতের তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হবে না। বৃষ্টির পর, বিশেষ করে ২৪ ডিসেম্বরের পর, রাতের তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, বৃষ্টির পর জলীয় বাষ্প ও মেঘ পরিষ্কার হলে রাতের আকাশ স্পষ্ট হবে, যা তাপমাত্রা কমানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে। এর ফলে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের প্রকোপ বাড়বে।
এ বিষয়ে বজলুর রশিদ বলেন, ‘২৪ ডিসেম্বরের পর থেকে রাতের তাপমাত্রা কমার প্রবণতা দেখা দেবে। দেশের কিছু এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হবে। বছরের শেষ সপ্তাহে শীত তার পূর্ণ রূপ ধারণ করতে পারে।’
তিনি আরও জানান, বৃষ্টি চলাকালীন দিনের তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় দিনের বেলায় শীতের অনুভূতি তীব্র হতে পারে। তবে রাতের বেলা আকাশ মেঘলা থাকলে ঠান্ডা কিছুটা সহনীয় হতে পারে। বৃষ্টির পর পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হয়ে রাতের শীতলতা স্পষ্ট হবে।
সব মিলিয়ে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে শীতের প্রকোপ বাড়বে বলে ধারণা করছেন আবহাওয়াবিদরা। শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


