ঢাকার প্রধান বাজারগুলোতে খাদ্যপণ্যের দামে কিছুটা উত্থান-পতনের প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। সরবরাহের সংকট ও চাহিদা বৃদ্ধির অজুহাতে মুরগির দাম বৃদ্ধি পেলেও নতুন পেঁয়াজ ও আলুর সরবরাহ বাড়ায় এসব পণ্যের দাম কমেছে।
শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, কাপ্তান বাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, মুরগির খুচরা বাজারে সরবরাহ সংকটের কারণে দাম খানিকটা বেড়েছে। অন্যদিকে, নতুন আলু ও পেঁয়াজ আসতে শুরু করায় তাদের দাম কিছুটা কমেছে।
বিক্রেতাদের দাবি, আমনের মৌসুমেও চালের দাম বেড়েছে। গত দুই সপ্তাহে বস্তাপ্রতি চালের দাম ২০০ থেকে ২৫০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে খুচরা পর্যায়ে সরু চালের কেজি তিন থেকে পাঁচ টাকা এবং মোটা চালের দাম দুই থেকে তিন টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
বাজারে পুরোনো দেশি পেঁয়াজের দাম বর্তমানে প্রতি কেজি ৯০-১১০ টাকা, আমদানি করা পেঁয়াজ ৮০-৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, নতুন আলুর দাম ৬০-৭০ টাকা কেজি যা আগের চেয়ে ১০-২০ টাকা কম।
বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট কাটেনি। গত ৯ ডিসেম্বর লিটারপ্রতি সয়াবিনের দাম আট টাকা বাড়ানোর পরও সরবরাহ কম থাকায় ভোক্তারা ভোগান্তিতে পড়ছেন।
তবে কিছুটা স্বস্তি রয়েছে সবজির বাজারে। ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতি পিস ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নতুন টমেটো প্রতি কেজি ১৪০ টাকায়, গাজর ৮০ টাকায় এবং শিম ৪০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্য সবজিগুলোর দামও তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল।
মাছের বাজারেও দামের তারতম্য দেখা গেছে। মাঝারি সাইজের রুই মাছ ২৫০-২৮০ টাকা কেজি, পাঙাশ ২০০ টাকা, চাষের তেলাপিয়া ২১০ টাকা, শিং মাছ ৪০০-৪৫০ টাকা, এবং চিংড়ি ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সব মিলিয়ে খাদ্যপণ্যের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে মিশ্র প্রভাব দেখা যাচ্ছে।


