সিলেটে গত শনিবার একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে জুলাই আন্দোলনে নিহতদের পরিবারকে সহায়তা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক, সারজিস আলম।
সারজিস আলম সাংবাদিকদের জানান, “এই আন্দোলন শুধুমাত্র নির্বাচনের জন্য নয়, বরং এটি একটি বৃহত্তর সংস্কারের জন্য। আমরা যৌক্তিক সংস্কার শেষ করার পরই নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানাচ্ছি।” তিনি আরও বলেন, “এটা বাস্তবতা যে, এক বছরের মধ্যে সংস্কার সম্ভব নয়, তবে যখন সংস্কার সঠিকভাবে সম্পন্ন হবে, তখন নির্বাচন হওয়া উচিত।”
এছাড়াও, সারজিস শহিদ পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তাদের সহায়তা দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং বলেন, “যতদিন না পর্যন্ত সকল শহিদ পরিবারদের পাশে আমরা আছি, ততদিন আমাদের কাজ অব্যাহত থাকবে।”
উল্লেখযোগ্য যে, শনিবার সকালে সিলেটের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে শহিদ পরিবারের সদস্যরা আসেন এবং তারা পাঁচ লাখ টাকার সহায়তার চেক গ্রহণ করেন। সহায়তা পেয়ে শহিদ পরিবারের সদস্যরা জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনকে তাদের ধন্যবাদ জানান।
এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ। তিনি বলেন, “আমরা আন্দোলনে নিহত পরিবারের পাশে থাকব এবং আহতদেরও সহায়তা করব। ফাউন্ডেশন তাদের জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকবে।” তিনি আরও জানান, সিলেটে ১৮টি পরিবার সহায়তা পেয়েছে, তবে বাকি শহিদদের তথ্য হালনাগাদ করে তাদের সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিয়েছে যে, আন্দোলনে নিহত সকল শহিদ পরিবারকে যথাযথ সহায়তা প্রদান করতে তারা অব্যাহত থাকবে এবং নির্যাতিতদের জন্য প্রতিশ্রুতির সঙ্গে কাজ করবে।


