পাশাপাশি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গতকাল এ প্রক্রিয়ায় অনাপত্তিপত্র দিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
উল্লেখ্য, ওয়ালটন ডিজি-টেক দেশের সুপরিচিত তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। কোম্পানিটি টানা আট বছরের বেশি সময় ধরে কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) তালিকা অনুযায়ী, ৩৬টি ব্র্যান্ডের অধীনে ১২৩টিরও বেশি হাই-টেক পণ্য উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৭৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ওয়ালটন হাই-টেকের ইপিএস হয়েছে ৩৪ টাকা ২২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৪ টাকা ৭৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৯৯ টাকা ৭৪ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৩৫০ শতাংশ ও উদ্যোক্তা পরিচালকদের ২০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ওয়ালটন হাই-টেকের ইপিএস হয়েছে ৪৪ টাকা ৭৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৫ টাকা ৮৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৭৯ টাকা ৩০ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।
ওয়ালটন হাই-টেকের সর্বশেষ সার্ভিল্যান্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘এএএ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২২, ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড।
দেশের পুঁজিবাজারে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের লেনদেন শুরু হয় ২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৬০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩৩৩ কোটি ২২ লাখ ১০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১১ হাজার ৩৭৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩৩ কোটি ৩২ লাখ ২১ হাজার ১৭৭। এর ৬৭ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ৮৩, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩২ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


