খেলাপি ঋণ পরিশোধের জন্য আইপিডিসি ফাইন্যান্সের অনুকূলে এক কোটি শেয়ার হস্তান্তর করতে চেয়েছিলেন তালিকাভুক্ত কোম্পানি গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের দুই পরিচালক আহমেদ রাজীব সামদানি ও নাদিয়া খলিল চৌধুরী। এজন্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) কাছ থেকে গত মাসে অনুমোদনও পেয়েছিলেন তারা। তবে গতকাল ডিএসইর পক্ষ থেকে এ শেয়ার হস্তান্তরের অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে। মূলত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অনুরোধে শেয়ার হস্তান্তর স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে ডিএসই সূত্রে জানা গেছে।
২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত গোল্ডেন হারভেস্টের অনুমোদিত মূলধন ২৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২১৫ কোটি ৮৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২১ কোটি ৫৮ লাখ ৩৭ হাজার ৬২১। এর ৩০ দশমিক ৪২ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৬ দশমিক ৪৪, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ২২ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩২ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ২১ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৯২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৩৩ পয়সায়।
ডিএসইতে গতকাল গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার সর্বশেষ ১০ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ১০ থেকে ১৫ টাকা ৮০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।


