বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে তরুণদের দক্ষ, প্রযুক্তিবান্ধব ও উদ্ভাবনী মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন এবং পরিবার পরিকল্পনাকে সমন্বিত করে এ লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
শনিবার (১১ জুলাই) প্রকাশিত বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বছরের প্রতিপাদ্য—‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রস্তুতিতে সুন্দর আগামী গড়ি’—জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি বলেন, প্রতিটি নাগরিকের জন্য সুস্থ, শিক্ষিত ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের জনমিতিক সুবিধাকে কাজে লাগাতে মানবসম্পদ উন্নয়ন, সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম শক্তিশালী করা এবং নারী ও যুবসমাজের ক্ষমতায়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। তথ্যপ্রযুক্তি ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতিতে তরুণরাই সবচেয়ে বড় শক্তি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, তরুণদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা, যুগোপযোগী দক্ষতা, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপদ সামাজিক পরিবেশ নিশ্চিত করা হলে তারা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ রাখতে পারবে। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হলে তারা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও দায়িত্বশীল পরিবার গঠনে আরও সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবে।
বাল্যবিবাহ, কিশোরী মাতৃত্ব ও অপুষ্টিকে দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব সমস্যা মোকাবিলায় সরকার সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে রয়েছে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, কিশোর-কিশোরীদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, পুষ্টি উন্নয়ন এবং জীবনদক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম জোরদার করা।
বাণীর শেষে প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের চেতনা বাস্তবায়নে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান এবং দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।


