চাঁদপুরের বিভিন্ন ব্যাংকে দেড় বছর ধরে তারল্য সংকট চলায় কয়েক লাখ গ্রাহক টাকা তুলতে পারছেন না। ন্যাশনাল, পদ্মা, বেসিকসহ কয়েকটি ব্যাংকে ভোগান্তি চরমে। অর্থনীতি বিশ্লেষকেরা আস্থা ও সরকারের নজরদারির ওপর জোর দিয়েছেন।
চাঁদপুরের বিভিন্ন ব্যাংকে তারল্য সংকটের কারণে ভোগান্তিতে কয়েক লাখ গ্রাহক। দীর্ঘ দেড় বছর ধরে ঠিকমতো টাকা তুলতে পারছেন না তাঁরা। এতে গ্রাহকদের তোপের মুখে পড়ছেন ব্যাংক কর্মকর্তারা। এ অবস্থায় একসঙ্গে সব গ্রাহককে টাকা না তোলার পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনীতি বিশ্লেষকেরা। একইসঙ্গে সঠিক বিনিয়োগ ও সরকারের নজরদারি বাড়ানোরও তাগিদ দিচ্ছেন তাঁরা। গ্রাহকেরা জানান, অনেকে ব্যাংকে এসে টাকা পাচ্ছেন না বলে আসার আগে ব্যাংক কর্মকর্তাদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন। টাকা দিতে না পারায় প্রতিনিয়ত গ্রাহকদের ফোনে সামলান চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ বাজারের স্যোসাল ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক।
ব্যাংক কর্মকর্তা জানান, জেলার বাণিজ্যিক শহর হাজীগঞ্জ বাজারের পদ্মা ব্যাংক শাখায় চার হাজার গ্রাহকের আমানত প্রায় ৩৬ কোটি টাকা। কোনো গ্রাহক লাখ টাকার চেক নিয়ে গেলেও তুলতে পারছেন মাত্র ৫ বা ১০ হাজার টাকা। আবার কখনো ফিরতে হচ্ছে খালি হাতে।
গ্রাহকদের অভিযোগ, ন্যাশনাল, পদ্মা, এবি, বেসিক, ইউনিয়ন ব্যাংকে ভোগান্তি সবচেয়ে বেশি। তবে সম্প্রতি পাঁচটি ব্যাংক নিয়ে সমন্বিত ইসলামী ব্যাংক চালুর উদ্যোগে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও অন্যান্য ব্যাংকের গ্রাহকেরা আছেন অনিশ্চয়তায় আর কর্মকর্তার পড়েছেন বিপাকে।
এ অবস্থায় গ্রাহকদের আস্থা ও ধৈর্য রাখার পাশাপাশি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে সঠিক বিনিয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনীতি বিশ্লেষকেরা।


