সংগঠনটি করপোরেট করহার ২০ শতাংশে নামানোর সুপারিশ করেছে। বর্তমানে খাতভেদে করহার তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ায় বিনিয়োগে চাপ তৈরি হচ্ছে বলে তারা মনে করে। তাদের মতে, করহার ২০ শতাংশে নামালে দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগ ১০-১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।
সংগঠনটি উৎসে কর (টিডিএস) কমানোর প্রস্তাবও দিয়েছে। তাদের মতে, অতিরিক্ত টিডিএসের কারণে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর নগদ প্রবাহে ৮–১২% পর্যন্ত চাপ তৈরি হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বিনিয়োগবান্ধব রাজস্ব কাঠামো ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। কর ও ভ্যাট ব্যবস্থা সহজ ও ডিজিটাল হলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে। জেবিসিসিআইয়ের নির্বাহী পরিচালক তাহেরা আহসান অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। সহসভাপতি আনোয়ার শাহিদ এবং উপদেষ্টা আসিফ এ চৌধুরি বক্তব্য দেন।
সমাপনী বক্তব্যে পরিচালক মনাবু সুগাওয়ারা বলেন, দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করতে নীতি সহায়তা জরুরি। তিনি বলেন, স্থিতিশীল করনীতি বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
জেবিসিসিআই মনে করে, আগামী বাজেটে বাস্তবমুখী সংস্কার নেওয়া হলে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। শিল্প উৎপাদন বাড়বে। কর্মসংস্থানও সম্প্রসারিত হবে।


