সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়তে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাউকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) সাংবাদিকদের বিষয়টি জানান।
বৈঠকে ১৭ জেলার ১৮টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা ভূমি কমিশন গঠন, সাংবিধানিক স্বীকৃতি, জাতীয় কনভেনশন, বনাঞ্চল থেকে উচ্ছেদ বন্ধ এবং সহজ শর্তে ঋণ সুবিধাসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং এমন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে যেখানে কোনো জাতি-গোষ্ঠী বৈষম্যের শিকার হবে না।
এ সময় তিনি বিগত সরকারের কঠোর সমালোচনা করে দাবি করেন, প্রতি বছর গড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে, যার ফলে দেশের অর্থনীতি ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে। পাশাপাশি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং কিডনি ডায়ালাইসিস ও হার্টের রিংসহ জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জামের ওপর কর কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, সংসদ সদস্য আন্না মিনজ ও সংস্কৃতিকর্মী সঞ্জিব দ্রংসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।


