পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে পরিবেশ সংরক্ষণকে জাতীয় অগ্রাধিকারের বিষয় হিসেবে বিবেচনা করতে হবে এবং এ লক্ষ্যে সরকার দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তি, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি খাতকেও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে। দেশের বনাঞ্চল সম্প্রসারণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সবুজায়ন বৃদ্ধি করতে সরকার আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
তিনি আরও বলেন, বৃক্ষরোপণের ক্ষেত্রে স্থানীয় পরিবেশ ও মাটির উপযোগী গাছ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিবেশ ও ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে—এমন প্রজাতির গাছ লাগানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে শহর ও গ্রামে পরিকল্পিত সবুজায়নের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে পরিবেশ সংরক্ষণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনটি প্রতিষ্ঠান ও তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তির হাতে জাতীয় পরিবেশ পদক তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া বৃক্ষরোপণ ও সবুজায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখায় সাতটি ক্যাটাগরিতে ২১ জনকে জাতীয় পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়।


