হজ শেষে দেশে ফেরা যাত্রীদের লাগেজ থেকে মালামাল চুরির অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১৫০টি লাগেজ থেকে মালামাল চুরির দাবি তদন্তে অসত্য প্রমাণিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী জানান, অভিযোগটি প্রকাশের পরপরই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বলা হয়। এরপর বিমানবন্দর ও বিমান কর্তৃপক্ষের যৌথ তদন্তে কোনো ধরনের চুরি, অনিয়ম বা লাগেজ তছরুপের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, বিমান থেকে লাগেজ নামানো, পরিবহন ও বেল্টে পৌঁছানোর প্রতিটি ধাপের ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়েছে। সেখানে কোথাও কোনো ধরনের মিস হ্যান্ডলিং বা লাগেজ কাটার ঘটনা দেখা যায়নি। পুরো প্রক্রিয়াটি সিসিটিভি নজরদারির আওতায় ছিল।
প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, বিমান অবতরণের মাত্র ১৩ মিনিটের মধ্যে প্রথম লাগেজ যাত্রীদের জন্য সরবরাহ করা হয় এবং এক ঘণ্টারও কম সময়ে সব লাগেজ বিতরণ সম্পন্ন হয়। ফলে লাগেজ ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের কোনো ত্রুটি ঘটার সুযোগ ছিল না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাই-বাছাই ছাড়া তথ্য প্রচারের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিভ্রান্তিকর তথ্য জনমনে অযথা উদ্বেগ সৃষ্টি করে। তাই সত্যতা যাচাই করে তথ্য প্রকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, চলতি মৌসুমে ৭৮ হাজারের বেশি হজযাত্রীকে সফলভাবে সৌদি আরব পাঠানো হয়েছে। যাত্রীসেবা, ইমিগ্রেশন কার্যক্রম, নুশুক কার্ড বিতরণ ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে হাজিদের সন্তুষ্টি ছিল উল্লেখযোগ্য। সরকার হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও উন্নত করতে কাজ করে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান।


