২০০৯ সালের পিলখানা ট্র্যাজেডিতে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বনানী সামরিক কবরস্থানে গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে তিনি তার সহধর্মিণী জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে কবরস্থানে পৌঁছান।
সফরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তার শ্বশুর, সাবেক নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের কবর জিয়ারত করেন। সেখানে তিনি ও তার স্ত্রী মরহুমের আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। পরে তারা পিলখানা বিদ্রোহে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের কবর প্রাঙ্গণে যান এবং শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জানান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী নিহত সেনা সদস্যদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এজেডএম জাহিদ হোসেন এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান ও শ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কবরস্থানে উপস্থিত সেনা কর্মকর্তা ও স্বজনদের সঙ্গে তিনি কিছু সময় কাটান এবং নিহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় ভয়াবহ বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় বিডিআরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। সব মিলিয়ে প্রাণ হারান ৭৪ জন। নিহত সেনা কর্মকর্তাদের অধিকাংশকে বনানী সামরিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।


