পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়ন, শান্তি ও প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে শিগগিরই তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স এবং পার্বত্য উন্নয়ন বোর্ড পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। সোমবার দুপুরে খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউসে প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি বজায় রাখা এবং সকল জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি নিশ্চিত করা সরকারের প্রধান লক্ষ্য। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে সরকার পাহাড়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। উন্নয়ন পরিকল্পনায় শিক্ষা, যোগাযোগ, কৃষি ও পর্যটন খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
খাগড়াছড়িতে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে দীপেন দেওয়ান বলেন, পাহাড়ি এলাকার কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে তরুণদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। এছাড়া স্থানীয় ফলমূল সংরক্ষণের সুবিধা বাড়াতে হিমাগার নির্মাণ এবং পর্যটন শিল্পকে বিকশিত করতে সাজেকগামী সড়কের সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।
সভায় বক্তারা পার্বত্য অঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং নিরাপত্তা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন করে প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠন করা হলে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ ও সেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে।
এ সময় সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় অংশগ্রহণকারীরা পার্বত্য এলাকায় টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।


