পূর্ব ঘোষণা অনুসারে ৫০ লাখ শেয়ার বিক্রির পর বর্তমানে ব্রামার ফন্ট্রিয়ারের কাছে রানার অটোমোবাইলসের ১১ দশমিক ৭২ শতাংশ বা ১ কোটি ৩৩ লাখ ৪ হাজার ৩৪৭টি শেয়ার রয়েছে। ২০১৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ব্রামার ফ্রন্টিয়ার রানার অটোমোবাইলসের ১ কোটি ৩৪ লাখ ৭৮ হাজার ২৬১টি শেয়ার ১০৫ কোটি টাকায় কিনে নেয়। পরে ২০১৫ সালে দুই দফায় বোনাস শেয়ার ইস্যুর পর ব্রামারের শেয়ারের পরিমাণ বেড়ে ২ কোটি ৬৯ লাখ ৫৬ হাজার ৫২১টিতে দাঁড়ায়। ২০১৯ সালে রানার অটোমোবাইলস আইপিওতে আসার পর কোম্পানিটিতে ব্রামারের শেয়ার ধারণের পরিমাণ ২৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ বা ২ কোটি ৮৩ লাখ ৪ হাজার ৩৪৭টিতে দাঁড়ায়। ২০২১-২২ সময়ে কিছু শেয়ার বিক্রি করার পর থেকে ব্রামারের কাছে রানারের ১৬ দশমিক ১২ শতাংশ বা ১ কোটি ৮৩ লাখ ৪ হাজার ৩৪৭টি শেয়ার ছিল।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) রানার অটোমোবাইলসের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৭ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬৬ টাকা ২০ পয়সায়।
২০১৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রানার অটোমোবাইলসের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১১৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪৪০ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১১ কোটি ৩৫ লাখ ৩৯ হাজার ৯৩২। এর ৫০ দশমিক ৪৮ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৬ দশমিক ৫৯ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে বাকি ২২ দশমিক ৯৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
গতকাল ডিএসইতে রানার অটোমোবাইলসের শেয়ার সর্বশেষ ৪০ টাকা ২০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ২৩ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৪৬ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে।