নির্বাচনে বিপুল জয়ের পর নিজেদের কৌশল ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন তারেক রহমান। শনিবার বিকেলে রাজধানীর Hotel InterContinental Dhaka-এ আয়োজিত নির্বাচন-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জনগণের আস্থা অর্জনই ছিল তাদের প্রধান লক্ষ্য এবং সেটিই বিজয়ের ভিত্তি তৈরি করেছে।
সাংবাদিক খালেদ মুহিউদ্দিন এক প্রশ্নে জানতে চান, দুই শতাধিক আসনে জয় পেতে কোনো ধরনের ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ করা হয়েছে কি না। জবাবে তারেক রহমান বলেন, তাদের একমাত্র কৌশল ছিল মানুষের কাছে যাওয়া, তাদের কথা শোনা এবং উন্নয়ন-পরিকল্পনা তুলে ধরা। তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন মাঠপর্যায়ে কাজ করায় জনগণ বিএনপির প্রতি আস্থা রেখেছে।
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে তিনি ইংরেজিতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এবং পরে বাংলায় দলের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। বিভিন্ন দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই নির্বাচন দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় নতুন অধ্যায় সূচনা করেছে। তিনি অংশগ্রহণকারী অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোকেও অভিনন্দন জানান এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জনগণের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে যে দলটি ঐক্যবদ্ধ ও সুসংগঠিত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, খুব শিগগিরই নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করবে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ শুরু করবে।
সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী দিনে তারা জাতীয় ঐক্য, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠাকে অগ্রাধিকার দেবে।


