আগামী বছর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম গড়ে ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে, এমন পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক (World Bank)। সংস্থাটি জানিয়েছে, বৈশ্বিক অর্থনীতির মন্দা, জ্বালানি চাহিদার ধীরগতি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে ২০২৬ সালে তেলের দামে এই পতন ঘটতে পারে।
বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক “Commodity Markets Outlook” প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে অপরিশোধিত তেলের (crude oil) গড় মূল্য প্রতি ব্যারেল ৮০ ডলার থেকে নেমে ৭২ ডলারে আসতে পারে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হলে এবং বিশ্ব অর্থনীতি স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরলে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ব্রাজিলের মতো দেশগুলোতে উৎপাদন বৃদ্ধিও তেলের দামে নিম্নমুখী প্রভাব ফেলবে।
তবে বিশ্বব্যাংক সতর্ক করেছে—রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন কোনো সংঘাত দেখা দিলে তেলের দাম আবারও বেড়ে যেতে পারে।
বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ইন্দারমিত গিল বলেন,“বিশ্বব্যাপী জ্বালানি খাতে একটি ভারসাম্য তৈরি হচ্ছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ছে, তেলের চাহিদা ধীরে ধীরে কমছে। ফলে বাজারে তেলের মূল্য কিছুটা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে বলে আশা করা যাচ্ছে।”
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রাকৃতিক গ্যাস ও কয়লার দামেও ২০২৬ সালে কিছুটা স্থিতিশীলতা আসবে। গ্যাসের দাম কমতে পারে প্রায় ৫ শতাংশ, আর কয়লার দাম ৮ শতাংশ পর্যন্ত কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের মতে, এই প্রবণতা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ইতিবাচক হলেও তেলনির্ভর অর্থনীতিগুলোর (যেমন সৌদি আরব, রাশিয়া, ইরান) রাজস্ব আয়ে কিছুটা ধাক্কা


