ঢাকার আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার ২৯তম আসরে ছুটির দিন (শুক্রবার) মানুষের ঢল নামে। দুপুর থেকেই ক্রেতা-দর্শনার্থীদের আগমনে মেলাপ্রাঙ্গণ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। এই জনসমাগমের কারণে আশপাশের সড়কগুলোতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়, বিশেষত কুড়িল-কাঞ্চন সড়ক ও এশিয়ান হাইওয়েতে। এতে মেলায় আসা অনেকেই ভোগান্তিতে পড়েন। স্টলগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা যায়। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পণ্য প্রদর্শনীতে ক্রেতাদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো। মেলায় আসা মিরপুরের বাসিন্দা কামাল হোসেন বলেন, “ভিড় সামাল দিতে কিছুটা কষ্ট হলেও বন্ধুদের নিয়ে মেলায় ঘুরতে বেশ মজা পেয়েছি। খাবারের দোকান আর কনসার্ট ছিল বাড়তি আকর্ষণ।”
মেলা প্রাঙ্গণের একপাশে সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিল। গান ও নাচে মুগ্ধ হয়ে দর্শনার্থীরা সন্ধ্যাটা উপভোগ করেন। যমুনা ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড অটোমোবাইলস লিমিটেড মেলায় তাদের পণ্যগুলোতে ১০-২৫ শতাংশ পর্যন্ত বিশেষ ছাড় দিয়েছে। কোম্পানির হেড অব সেলস মো. মেজবাহ উদ্দিন আতিক জানান, “আমরা রাইস কুকার, মাইক্রোওভেন, টিভি, এসি, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন পণ্যে বিশেষ ছাড় দিচ্ছি। মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ এবং টিভিতে ২০ শতাংশ ছাড় রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, ৫ হাজার টাকার পণ্য কিনলে ক্রেতারা একটি ইলেকট্রিক কেটলি বা আয়রন উপহার পাচ্ছেন। মেলায় এ বছর ৩৬১টি স্টল ও প্যাভিলিয়ন রয়েছে। দেশীয় বস্ত্র, ইলেকট্রনিক পণ্য, আসবাবপত্র, প্রসাধনীসহ নানা পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি হচ্ছে। মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এবং ছুটির দিনে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা। টিকিটের মূল্য প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা।
মেলা পরিচালনা কর্তৃপক্ষ বলছে, “ছুটির দিনে লোকসমাগম লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এ বছর মেলা সব দিক থেকে সফল হবে বলে আশা করছি।”


