যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের আন্তর্জাতিক সাহসী নারী পুরস্কার (আইডব্লিউওসি) ও মর্যাদাপূর্ণ ম্যাডেলিন অলব্রাইট অনারারি গ্রুপ অ্যাওয়ার্ড পেতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের জুলাই গণআন্দোলনের নারী শিক্ষার্থীরা। এ প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিয়েছে।
সোমবার (৩১ মার্চ) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এই প্রসঙ্গটি উঠে আসে। এক সাংবাদিক জিজ্ঞাসা করেন, বাংলাদেশের নারী শিক্ষার্থীরা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের কারণে এই পুরস্কার পাচ্ছেন বলে দাবি করা হচ্ছে, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মন্তব্য কী? জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস বলেন, “তারা আগামীকাল এই সম্মানজনক পুরস্কার গ্রহণ করবেন। আমি আন্তর্জাতিক সাহসী নারী পুরস্কার ও ম্যাডেলিন অলব্রাইট অনারারি গ্রুপ অ্যাওয়ার্ডের বিষয়ে কথা বলব, তবে বাংলাদেশের রাজনীতির প্রকৃতি নিয়ে কোনো অনুমান করতে চাই না।”
তিনি আরও জানান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প আগামীকাল ১৯তম বার্ষিক আইডব্লিউওসি পুরস্কার প্রদান করবেন। এ বছর আটজন অসাধারণ নারীকে এই পুরস্কার দেওয়া হবে। এছাড়া বিশ্বব্যাপী ম্যাডেলিন অলব্রাইট অনারারি গ্রুপ পুরস্কারের মাধ্যমে তাদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
আইডব্লিউওসি পুরস্কার সম্পর্কে তিনি বলেন, “এটি সেইসব নারীদের স্বীকৃতি দেয়, যারা ব্যতিক্রমী সাহস, নেতৃত্ব ও শক্তির প্রতীক। তারা শান্তি, মানবাধিকার ও নারীর ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করেন, যা অনেক ক্ষেত্রেই তাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।”প্রসঙ্গত, ২০০৭ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ৯০টিরও বেশি দেশের দুই শতাধিক নারীকে এই পুরস্কার দিয়েছে। পুরস্কারপ্রাপ্তরা ওয়াশিংটন ডিসি ও লস অ্যাঞ্জেলেসে বিশেষ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন, যেখানে তারা আমেরিকান নেতৃস্থানীয় নারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের নারী শিক্ষার্থীদের এই স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পক্ষে তাদের দৃঢ় অবস্থানের জন্য। আগামীকাল (১ এপ্রিল) আনুষ্ঠানিকভাবে এই পুরস্কার দেওয়া হবে।আমি একটি ভিন্ন উপস্থাপনা তৈরি করেছি যা মূল সংবাদের তথ্য ধরে রেখেও নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপন করেছে। আপনি চাইলে আরও পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারেন!


