জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে তালিকাভুক্ত শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে ৮৩ কোটি ২৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সে হিসাবে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ১৬ কোটি ৬৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা। আলোচ্য সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মোট লেনদেনে কোম্পানিটির অবদান ছিল ৩ দশমিক ১৭ শতাংশ। ডিএসইর সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে শাহজিবাজার পাওয়ারের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৫২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ৯২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে শাহজিবাজার পাওয়ারের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ১৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৬ টাকা ৭১ পয়সায়।
শাহজিবাজার পাওয়ারের সর্বশেষ সার্ভিল্যান্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ ওয়ান’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-ওয়ান’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ অক্টোবর ২০২৪ পর্যন্ত ব্যাংক ঋণের অবস্থা এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।
২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত শাহজিবাজার পাওয়ারের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৮৬ কোটি ৬৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪২৯ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৮ কোটি ৬৬ লাখ ৩১ হাজার ৬২৯। এর ৫৭ দশমিক ৬১ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৭ দশমিক ২৯ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৫ দশমিক ১০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


