গত বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ের তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে বাণিজ্যিক যানবাহনের চাহিদা ও বিক্রি বেড়েছে। এর সুবাদে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইফাদ অটোস পিএলসির যানবাহন বিক্রি থেকে আয় বেড়েছে প্রায় ৭৪ শতাংশ। আয় বাড়ার ফলে কোম্পানিটি গত বছরের একই সময়ে লোকসানে থাকলেও এবার মুনাফায় ফিরেছে। ইফাদ অটোসের চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
কোম্পানিটির কর্মকর্তারা বলছেন, চলতি বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে ১ হাজার ১ ইউনিট যানবাহন বিক্রি হয়েছে, যেখানে গত বছরের একই সময়ে বিক্রি হয়েছিল ৬৬৬ ইউনিট। বাণিজ্যিক যানবাহনের চাহিদা বাড়ার পাশাপাশি দামও বেড়েছে। এর ফলে গত বছরের তুলনায় এবার কোম্পানির আয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ইফাদ অটোসের শেয়ার গত বৃহস্পতিবার সর্বশেষ ১৯ টাকা ২০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ১৮ টাকা ৪০ থেকে ২৭ টাকা ৬০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ শতাংশ নগদ ও ১ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৬২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৬ টাকা ২৯ পয়সায়।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে কোম্পানিটির পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৫৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএনভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ৯১ পয়সায়।
২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ইফাদ অটোস। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ।
২০১৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইফাদ অটোসের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২৬৮ কোটি ২৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫৯৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার ২৬ কোটি ৮২ লাখ ৫৩ হাজার ৯১১টি। এর মধ্য ৫৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ এর উদ্যোক্তা পরিচালক, ২৬ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, দশমিক শূন্য ২ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ১৯ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।


