ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে মঙ্গলবার সকাল ৮টায়। নির্বাচনে শিক্ষার্থীরা বিকাল ৪টা পর্যন্ত তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। এই বছর নির্বাচনের প্রেক্ষাপটকে গণতন্ত্রের প্রতি ইতিবাচক বার্তা হিসেবে উল্লেখ করেছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
নির্বাচনের আগের রাত (৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাসে আসিফ নজরুল বলেন, “মঙ্গলবার ডাকসু নির্বাচন। দেড়যুগ পর দেশে তরুণরা অবাধে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন। আশা করি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই সুযোগ গ্রহণ করবেন এবং বিপুল সংখ্যায় ভোট দিতে আসবেন। যেই জিতুক, তাকে অন্যরা গ্রহণ করবে।” তিনি আরও লিখেছেন, “এই নির্বাচন আমাদের গণতন্ত্র অভিমুখী বিশাল পদযাত্রা। সর্বান্তকরণে কামনা করি, এর আয়োজন সফল হোক। আল্লাহ আমাদের সহায় হন।”
এবারের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা মোট ৩৯ হাজার ৮৭৪ জন। এর মধ্যে ছাত্র-ছাত্রী ভোটারের সংখ্যা যথাক্রমে ২০ হাজার ৯১৫ ও ১৮ হাজার ৯৫৯। ভোটারদের জন্য রয়েছে ৮টি কেন্দ্র, যেখানে একজন ভোটারকে কেন্দ্রীয় সংসদে ২৮টি এবং হল সংসদে ১৩টি পদে ভোট দিতে হবে।
নির্বাচনে ২৮টি কেন্দ্রীয় পদে লড়াই করছেন মোট ৪৭১ জন প্রার্থী, যার মধ্যে পুরুষ প্রার্থী ৪০৯ জন এবং নারী প্রার্থী ৬২ জন। শিক্ষার্থীরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক সচেতনতা ও গণতন্ত্রের শক্তি প্রদর্শন করছেন।
এদিকে ভিপি পদপ্রার্থী উমামা ফাতেমা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ভোটগ্রহণে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে শিক্ষার্থীরা দেশের গণতন্ত্রকে আরও দৃঢ় করবেন। ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের এই পদযাত্রা শুধু একটি ভোটের অনুষ্ঠান নয়, বরং গণতন্ত্র ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার শিক্ষণীয় এক উদাহরণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।


